ব্রেকআপ জনিত ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাওয়ার নিন্জা টেকনিক
মার্সিডিজ করে এক ব্যক্তি হাই স্পিড এ হাওয়াই দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল। তার মনে অনেক আনন্দ ছিল। সে ওই মুহূর্তে নিজেকে দুনিয়ার সব থেকে সুখী মানুষ ভাবতেছিল। তার কোন দাবি ছিল না।
ঠিক ওই মুহূর্তে তার গাড়ির ব্রেক ফেইল করে এবং সামনে থেকে আসা এক গাড়ির ধাক্কায় তার গাড়ি চুরমার হয়ে যায়। ভাগ্যক্রমে এই দুর্ঘটনায় সে বেচে যায় তবে তার পা হাত সব ব্যান্ডেজ এ বাধা ছিল। সে প্রায় ৭দিন যাবত অবচেতন ছিল। চেতনা ফিরে পাওয়ার পর ডাক্তার তাকে জিজ্ঞেস করলো কেমন লাগছে তার? সে বলল কেমন লাগছে জানি না তবে এতটুকু জানি বেশি সুখী থাকলে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ এর বিপদ এর কথা ভুলে যায় এবং অসচেতন থাকি। আমার মনে অনেক সুখ ছিল ওইদিন তাই আমি ভুলে গেছিলাম যে আমার এই গাড়ির ব্রেক খুব কম কাজ করে আর ওইদিন স্পিড বেশি হওয়াতে ব্রেক একেবারে কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
তাই জীবনে আর কোন দিন বেশি খুশি হবো না। যা পাই না কেন ধৈর্য ধরে তাতে শুকরিয়া জানিয়ে সামনের জন্য প্রস্তুতি নিব। দুর্ঘটনাগুলো আমাদেরকে সর্তক করে দিয়ে যায়। কেউ সুযোগ পাই আর কেউ তা পাই না। যে পাই সে সৌভাগ্যবান।
যে চলে গেছে সে আপনাকে ভবিষ্যৎ এ এমন কাজ করার আগে একশবার ভাবতে হবে এই শিক্ষা দিয়ে গেছে। শিক্ষাটা নিয়ে এগিয়ে যান। আপনার আর্থিক ক্ষতি হই নাই তবে মানসিক ক্ষতি হইছে এরজন্য সাইকেল চালান বা ব্যায়াম করুন বা বই পড়ুন বা পড়াশুনা করুন বা রান্না শিখুন বা আকা শিখুন। এমন কিছু করুন যাতে আপনার মন ভাল থাকে। তবে নেশা করতে যাবেন না আবার। ভাল জিনিস করুন। দোয়া করুন, প্রার্থনা করুন, আপনি যে ধর্মের সেই ধর্মের ধর্মীয় বই পড়ুন। সূরা আদ'দোহা পড়ুন (আপনি যেই ধর্মের হোন না কেন)। এই সূরা হতাশা দূর করবে আপনার।
নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকুন। জার্মান ভাষা শিখুন বা যে ভাষা আপনার পছন্দ তা শিখুন। তবে এমন কাজেই মনোযোগ দেন যা আপনাকে ভবিষ্যৎ এ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
নিজের স্রষ্টার কাজে সাহায্য প্রার্থনা করুন নিয়মিত।
আশা করি হতাশা চলে যাবে।।
ধন্যবাদ।
